নববর্ষের শোভাযাত্রার নতুন নাম ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’
বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বিষয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ কথা জানান।
বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বিষয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এ কথা জানান।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
আজ রোববার বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো এবং অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বিষয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
গত বছর বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উপলক্ষে আয়োজকরা মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ নাম ব্যবহার করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে ঘিরে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়। একদল মনে করে, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইতোমধ্যেই ঐতিহ্য ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অংশ হয়ে উঠেছে, তাই এর নাম পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। অন্যদিকে, ভিন্নমতাবলম্বীরা মনে করেন, নামের পরিবর্তনের মাধ্যমে আয়োজনটির সর্বজনীনতা আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা সম্ভব। এমন পক্ষে-বিপক্ষে মতবিরোধের মধ্যেই এবার ভিন্ন একটি পথ বেছে নিয়েছে বর্তমান সরকার।